Be prepared for an Interview
সাক্ষাৎকারের আগে চর্চা করে নেওয়াটা উত্তম উপায়। শুধু চর্চা করে নেওয়াটাই না বরং সাক্ষাৎকারে আপনি কি বলতে যাচ্ছেন তাও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সব থেকে ভালো উপায় হচ্ছে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখে নেওয়া যে সাক্ষাৎকারের দিন আপনাকে কেমন লাগবে। আপনি চাইলে আপনার নমুনা সাক্ষাৎকারের ভিডিও করে তা বন্ধুদের দেখিয়ে তাঁদের মন্তব্য নিতে পারেন। আপনি যত চর্চা করবেন আপনি ততোই আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবেন সাক্ষাৎকারের দিন। বন্ধুর কাছে নমুনা সাক্ষাৎকার দেওয়ার মাধ্যমে আপনি যাচাই করে নিতে পারেন আপনার সম্ভাব্য সাক্ষাৎকারের ত্রুটিগুলো। সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় নিজের অঙ্গভঙ্গি, চাল চলন এসব দিকে আগে থেকেই সর্তক থাকতে হবে, কারণ অধিকাংশ মানুষই কথা বলার সময় নিজের অঙ্গভঙ্গির ব্যাপারে সর্তক থাকে না।
একটা বিষয় মনে রাখবেন, কেউই আপনাকে মেরে ফেলবে না। সর্বোচ্চ যা হতে পারে আপনি চাকরিটা নাও পেতে পারেন। আর এর কিছু সর্তকতা অবলম্বন করতে পারেনঃ যেমন স্বচ্ছন্দবোধ হয় এরকম পোশাক পড়ুন, সাক্ষাৎকারের জায়গায় সময় নিয়ে উপস্থিত হোউন, সাক্ষাৎকারের আগে ফ্রেস হয়ে নিন, পানি খাওয়ার দরকার পরলে পানি খেয়ে নিন। কয়েকটা দীর্ঘশ্বাস প্রশ্বাস নিলে সতেজতা অনুভব করতে পারবেন।
একটা বিষয় মনে রাখবেন, কেউই আপনাকে মেরে ফেলবে না। সর্বোচ্চ যা হতে পারে আপনি চাকরিটা নাও পেতে পারেন। আর এর কিছু সর্তকতা অবলম্বন করতে পারেনঃ যেমন স্বচ্ছন্দবোধ হয় এরকম পোশাক পড়ুন, সাক্ষাৎকারের জায়গায় সময় নিয়ে উপস্থিত হোউন, সাক্ষাৎকারের আগে ফ্রেস হয়ে নিন, পানি খাওয়ার দরকার পরলে পানি খেয়ে নিন। কয়েকটা দীর্ঘশ্বাস প্রশ্বাস নিলে সতেজতা অনুভব করতে পারবেন।
সাক্ষাৎকারের আগে একটি সাফল্যমণ্ডিত সাক্ষাৎকারের চিত্র কল্পনা করে নিন। জড়তা কাটিয়ে শান্তভাবে বসে সবগুলো প্রশ্নের উত্তর দেওয়াটা কল্পনায় সাজিয়ে নিন। মূল বিষয় হচ্ছে নিজেকে শান্ত করে তুলুন।
ভেবে বসবেন না যে একটি সাক্ষাৎকারের পরপরই আপনাকে চাকরির অফার করে বসবে, আপনাকে পরবর্তীতেও সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হতে পারে। আপনার পুরো চাকরির জীবনে অনেক সাক্ষাৎকারের মধ্য দিয়ে যেতে হতে পারে যদিনা আপনি একটা চাকরি নিয়েই পুরো জীবন কাটিয়ে দেন। ইতিবাচক দিক হচ্ছে আপনি আপনার স্বীয় চাকরিটাই উত্তম করে তুলতে পারেন আপনার জন্য এবং এটা ভেবে খুশী হতে পারেন যে, কিছু বছরের মধ্যে আপনিই ডেস্কের অপরপাশে থাকবেন কারো চাকরির সাক্ষাৎকার নেওয়ার জন্য।
সাক্ষাৎকারের আগের দিনঃ
কোম্পানি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করুন। কোম্পানির ওয়েবসাইট (যদি থেকে থাকে) থেকে প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী যেমন, কোম্পানির ইতিহাস, সর্বশেষ অবস্থা। এইসকল তথ্যাবলি সাক্ষাৎকারে তুলে ধরার চেষ্টা করুন।
নিজের সম্পর্কে বলার জন্য ৬০ সেকেন্ডের তথ্যাবলী প্রস্তুত করুন যা কিনা 'নিজের সম্পর্কে বলুন?' প্রশ্নের উত্তরে বলবেন।
Write at least five success stories to answer behavioral interview questions. One way to do this is by mind mapping - write down a question that occurs to you and think about how you'd answer it positively. ("Tell me about a time when…" or "Give me an example of a time…").
নিয়োগকর্তাকে জিজ্ঞাসা করার জন্য কিছু প্রশ্নাবলী তৈরি করুন যেখানে পদবী নিয়ে, কোম্পানি সম্পর্কে এবং ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে প্রশন থাকবে (আমাদের সম্পর্কে কি কিছু জানার আছে?)
এই পদের জন্য সবচেয়ে আনন্দদায়ক এবং সবথেকে কম আনন্দদায়ক বিষয়গুলো কি কি ?
পদন্নোতি এর সুযোগ কি আছে ?
"In what way is performance measured and reviewed?"
"What are the most important issues that you think your organisation will face?" or "You have recently introduced a new product/service/division/project; how will this benefit the organisation?"
"May I tell you a little more about my particular interest in communicating with clients/developing new ideas/implementing better systems?"
"Do you have any doubts about whether I am suited to this position?"
আমার দুটি পছন্দের প্রশ্ন
"ভবিষ্যতে কি আপনার প্রমোশন হওয়ার সুযোগ আছে?",এটি একটি অনেক পুরনো প্রশ্ন এবং আপনার উন্নতির জন্য আপনার চেষ্টা এই প্রশ্ন থেকে অনেকটা বোঝা যায়।
আপনি কি বলতে পারবেন আপনার কাজ কিভাবে আপনার কোম্পানির সামগ্রিক কাঠামোতে প্রভাব ফেলে? এই প্রশ্ন দ্বারা আপনি দলগত প্রচেষ্টার উপর গুরুত্বারোপ করছেন।
কোম্পানির বেতন ও অন্যান্য সুবিধাদি সম্পর্কে জানুন। ভেবে দেখুন আপনার খরচ ও অন্যান্য চাহিদার সাথে তা কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ।
একটি কথা মাথায় রাখতে হবে, যে কোন পোস্ট এর জন্য আগে থেকেই একটি বেতন কাঠামো চিন্তা করে রাখা হয়। যদি আপনি নিজেকে ব্যতিক্রমী প্রমাণ করতে না পারেন তাহলে তারা তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করব
No comments:
Post a Comment