eBongBD.com

"All about things for easy life"
This is a website about solution of our daily problems. You can get here all Problem's solution.

Breaking

পড়ার টেবিলে বসার পূর্বে ১০ মিনিট হাঁটলে বা হালকা ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কের ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এতে পড়া মনে রাখতে বেশ সুবিধা হয়।

Sunday, October 22, 2017

ট্রাফিক বাতির সূচনা হলো যেভাবে।

 


 

১৮৬৮ সালে লন্ডনের এক চৌরাস্তার মোড়ে পৃথিবীর প্রথম ট্রাফিক বাতিটি বসানো হয়। এটা ছিলো লাল সবুজ সংকেতযুক্ত ঘুরতে সক্ষম একটি লন্ঠন। লাল অর্থ থামো এবং সবুজ অর্থ সতর্ক হয়ে যাও। গ্যাসের সাহায্যে বাতিটিকে জ্বালানো হত এবং এর ভিত্তির সাথে আটকানো লিভারের সাহায্যে এটাকে ঘোরানো হত। বছর খানেক এভাবেই চলল। লন্ডনের লোক মহা বিস্ময়ে ট্রাফিক বাতি দেখতে লাগলো। তাতে ভীর কমার চেয়ে বাড়ল। ঢাকা শহরে প্রথম যখন উঁচু দালানের গায়ে লাগানো ওয়াইড স্ক্রিণে বিজ্ঞাপন দেখানো হত তখন ড্রাইভারের গাড়ী স্লো করে দিয়ে আড় চোখে তাকিয়ে দেখত। ১৮৬৯ সালে জানুয়ারী মাসের দুই তারিখে এই ট্রাফিক বাতিতে বিষ্ফোরণ ঘটে। যে পুলিশ অফিস্যার এটা অপারেট করছিলেন তিনি মারাত্বকভাবে যখম হলেন।

 

অটোমোবাইল আবিষ্কারের সাথে সাথে রাস্তার পরিস্থিতি আরো গোলমেলে হয়ে গেলো। ট্রাফিক পুলিশেরা রাস্তা সামাল দিতে গিয়ে রীতিমত নাজেহাল হচ্ছে। মিশিগানের ডেট্রয়েট শহরের পুলিশ অফিসার উইলিয়াম এল. পটস সমস্যা নিয়ে কিছু একটা করার সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি ট্রেন লাইনে বসানো সংকেত বাতি সড়কে বসানোর সিদ্ধান্ত নিলেন। সেইসময়ে রেলের রাস্তায় সয়ংক্রিয় সংকেত বাতি ব্যবহার করা হত। সমস্যা একটা বেড়িয়ে গেলো। রেল রাস্তা বহে সমান্তরাল অন্যদিকে সড়ক পথ চলে সাপের মত একে বেঁকে। মাঝে মধ্যে একে অন্যের সাথে পাক খাঁয়। পটস ট্রেনলাইনের লাল, ধুসর, সবুজ বাতি ব্যবহার করলেন। সাঁইত্রিশ ডলার খরচ করে তিনি তার ও বৈদ্যুতিক নিয়ুন্ত্রক কিনে ফেললেন। পটসের হাতে তৈরী হলো চৌমুখী রাস্তা নিয়ন্ত্রয়নের জন্য তিন বাতির ট্রাফিক লাইট। ১৯২০ সালে এটি বসানো হলো ডেট্রয়টের মিশিগান এভিন্যু এবং উডওয়ার্ডে। বছর না ঘুরতেই ডেট্রয়টে নতুন পনেরটি সয়ংক্রিয় বাতি বসানো হলো।



প্রায় একই সময়ে ওহিও রাজ্যের ক্লিভ্ল্যান্ড শহরের গ্যারেট মরগান ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। গ্যারেট হলেন প্রথম আফ্রো আমেরিকান যার ক্লিভল্যান্ড শহরে অটোমোবাইল ছিল। গ্যারেট বৈদ্যুতি সয়ংক্রিয় ট্রাফিক বাতি উদ্ভাবন করেন। আজকেরর দিনে ট্রেন ক্রসিংয়ে আমরা যে সিগন্যাল বাতি দেখতে পাই মরগ্যানের ট্রাফিক বাতি দেখতে অনেকটা এরকম ছিলো। মরগ্যানের ট্রাফিক বাতির স্বত্ব কিনে নেন জেনারেল ইলেকট্রিক কর্পোরেশন। তারা ট্রাফিক বাতি উৎপাদনে একচেটিয়া ব্যবসা শুরু করে।

 

No comments:

Post a Comment