eBongBD.com

"All about things for easy life"
This is a website about solution of our daily problems. You can get here all Problem's solution.

Breaking

পড়ার টেবিলে বসার পূর্বে ১০ মিনিট হাঁটলে বা হালকা ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কের ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এতে পড়া মনে রাখতে বেশ সুবিধা হয়।

Monday, October 10, 2016

সুফিয়া কামাল

আধুনিক যুগ, বাংলা

জন্ম: ১৯১১ সালের ২০ জুন, বরিশাল জেলার শায়েস্তাবাদ গ্রামে মামার বাড়িতে।

→ কবি, সংগঠক ও নারীনেত্রী।

→ ১৯২৩ সালে মাত্র বারো বছর বয়সে মামাতো ভাই সৈয়দ নেহাল হোসেনের সাথে প্রথম বিয়ে হয়।আধুনিকমনস্ক নেহাল হোসেন স্ত্রী সুফিয়া কামালকে সাহিত্যপাঠে উৎসাহিত করেন। এ সাহিত্য পাঠের পাশাপাশি সাহিত্য রচনার শুরু।

→ বেগম রোকেয়ার লেখা তাঁর ওপর বিশেষ প্রভাব ফেলে।

→১৯২৩ সালে তাঁর প্রথম গল্প ‘সৈনিক বধূ’ বরিশালের ‘তরুণ’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

→ ১৯২৬ সালে তাঁর প্রথম কবিতা ‘বাসন্তী’ সে-সময়ের প্রভাবশালী পত্রিকা ‘সওগাতে’ প্রকাশিত হয়।

→ ১৯৩২ সালে স্বামীর আকস্মিক মৃত্যু ঘটে। সংসার সামলাতে কলকাতা কর্পোরেশন স্কুলে শিক্ষকতা শুরু এবং ১৯৪২ সাল পর্যন্ত এ পেশায় নিয়োজিত ছিলেন।

→ ১৯৩৭ সালে গল্পের সংকলন ‘কেয়ার কাঁটা’ প্রকাশিত হয়।

→ ১৯৩৮ সালে প্রথম কাব্য ‘ সাঁঝের মায়া’র মুখবন্ধ লিখেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম।

→ ১৯৩৯ সালে চট্টগ্রামের কামাল উদ্দীনের সঙ্গে বিয়ে হয়।

→১৯৪৭ সালে তাঁর সম্পাদনায়  ‘বেগম’ পত্রিকা বের হয়। এ বছর দেশবিভাগের পর সপরিবারে ঢাকায় আগমন।

→ ভাষা-আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং এতে অংশ নেয়ার জন্য নারীদের উদ্বুদ্ধ করেন।

→ ১৯৫৬ সালে শিশুদের সংগঠন ‘কচিকাঁচার মেলা’ প্রতিষ্ঠা করেন।

→ ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকার কর্তৃক রবীন্দ্রসংগীত নিষিদ্ধের প্রতিবাদে সংগঠিত আন্দোলনে যুক্ত।এ বছর সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘ছায়ানটে’র সভাপতি নির্বাচিত হন।

→ ১৯৬৯ সালে নারীদের জন্য ‘মহিলা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করেন; তিনি এ সংগঠনের সভাপতি নির্বাচিত হন। বর্তমানে এর নাম ‘বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ’। এ বছরের গণঅভ্যুত্থানেও অংশগ্রহণ করেন।

→১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলনে নারীদের মিছিলে নেতৃত্ব দেন।মুক্তিযুদ্ধের সময় ধানমণ্ডির বাসভবন থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা দিতেন।স্বাধীন বাংলাদেশে নারীজাগরণ আর সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে উজ্জ্বল ভূমিকা পালন করেন।

→ সুফিয়া কামালের কাব্যগ্রন্থ :

অভিযাত্রিক দিওয়ান সাঁঝের মায়ায় স্মৃতিকাতর হয়ে মায়া কাজল পরে উদাত্ত পৃথিবীতে মৃত্তিকার ঘ্রাণ নিয়ে মোর জাদুদের সমাধি পরে গিয়ে শান্তি ও প্রার্থনা করে মন ও জীবনকে মানাল।

উপরের বাক্যের অভিযাত্রিক,দিওয়ান,সাঁঝের মায়া,মায়া কাজল,উদাত্ত পৃথিবী, মৃত্তিকার ঘ্রাণ,মোর জাদুদের সমাধি পরে,শান্তি ও প্রার্থনা, মন ও জীবন হল সুফিয়া কামালের কাব্যগ্রন্থ।

→ শিশুতোষ গ্রন্থ: ইতল বিতল (১৯৬৫), নওল কিশোরের দরবারে (১৯৮২)।

→ ভ্রমণকাহিনি: সোভিয়েতে দিনগুলি ( ১৯৬৮)।

→ আত্মজীবনী : একালে আমাদের কাল (১৯৮৮)।

→ স্মৃতিকথা: একাত্তরের ডায়রী (১৯৮৯)।

→ স্বাধীনতা দিবস পদক, একুশে পদক, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারসহ ৫০টিরও বেশি পুরস্কার লাভ করেন।

মৃত্যু : ১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর, ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

No comments:

Post a Comment