eBongBD.com

"All about things for easy life"
This is a website about solution of our daily problems. You can get here all Problem's solution.

Breaking

পড়ার টেবিলে বসার পূর্বে ১০ মিনিট হাঁটলে বা হালকা ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কের ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এতে পড়া মনে রাখতে বেশ সুবিধা হয়।

Monday, October 2, 2017

শীতকালে ত্বকের যত্ন এবং সুরক্ষায় খুব দরকারি কিছু পরামর্শ

feature-image


আমাদের ত্বকের তৈলাক্ত উপাদান শীতকালে জমাট বেধে যাওয়ার কারনে তখন ত্বক বেশ শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যায়। তাই অন্যসময়ের চেয়ে শীতকালেই ত্বকের যত্ন নেয়া একটু বেশি প্রয়োজন হয়। তাই ত্বক শুষ্ক রুক্ষ হয়ে যাওয়ার আগেই চেষ্টা থাকতে হবে ত্বককে সুরক্ষিত রাখতে। বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলার মাধ্যমেই পারেন ত্বককে পুনর্গঠিত করে ত্বকের কোলাজেনের মাত্রা উন্নত করতে।

- শীতকালে যেহেতু পিপাসা কম থাকে তাই অনেকেই পানি কম খান। যার ফলে শরীর খুব শুষ্ক হয়ে যায়। তাই প্রচুর পানি খেতে হবে এবং ঘরে তৈরি করে ফল ও সবজির জুস খেতে হবে।
- ত্বকে অলিভ অয়েল মাখতে পারেন ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে। এছাড়া ত্বকের টান টান ভাব কমাতে গোসলের আগে নারিকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন।
- তবে অলিভ অয়েল, নারিকেল তেল বা অন্য যে কোনো তেল ব্যবহারের আগে দেখে নেবেন সেই তেল আপনার জন্য উপযুক্ত কিনা। অর্থাৎ ত্বকে কোনো ধরনের সমস্যা করছে কিনা। কারন দেখা যায় একেক জনের ত্বকের ক্ষেত্রে একেক ধরনের তেল ভাল কাজ করে।তবে যাদের ক্ষেত্রে নারিকেল তেল বা অলিভে ওয়েল ত্বকে সমস্যার সৃষ্টি করে তাদের জন্য অ্যাভোকাডো, প্রিমরোজ বা কাঠবাদামের তেল ভাল।
- শীতকাল ত্বকের শুষ্কতা ও পায়ের ফাটা দূর করতে পেট্রোলিয়াম জেলি অতুলনীয়।
- শীতকালে ত্বক পরিস্কারে ক্ষার যুক্ত সাবান ব্যবহার না করে খুব ভাল হয় যদি বেসন ও টক দই মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। আর যদি সাবান ব্যবহার করতেই হয় তবে প্রাকৃতিক তেল এবং গ্লিসারিন সমৃদ্ধ সাবান ব্যবহার করুন।
- শীতকালে গরম পানি দিয়ে গোসল করতে অনেকেই পছন্দ করেন। তবে এই অভ্যাসটি যদি থাকে বাদ দিতে হবে। গোসল করতে হবে কুসুম গরম পানিতে এবং এর সাথে সামান্য গ্লিসারিন বা কোন ভেষজ তেল যেমন টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে নিলে ত্বকের হারানো আর্দ্রতা ফিরে পাবে।
- ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে কোল্ড ক্রিম এবং তৈলাক্ত ময়েশ্চেরাইজার ব্যবহার করুন। কোল্ড ক্রিমের ক্ষেত্রে তৈলাক্ত ক্রিম বেছে নিন এবং লোশনের ক্ষেত্রে বেছে নিন গ্লিসারিন যুক্ত লোশন।
- ত্বকের টোনারের জন্য এসেনশিয়াল অয়েল সমৃদ্ধ এবং ত্বক পুনর্গঠনের উপাদান ভিটামিন ই যুক্ত টোনার ব্যবহার করুন। তবে ত্বক যদি তৈলাক্ত হয় তাহলে এগুলো ব্যবহার না করলেও চলবে।
- মেনিকিউর এবং পেডিকিউর করার সময় কুসুম গরম পানিতে কয়েক ফোঁটা প্রাকৃতিক তেল মিশিয়ে নিন।
- হাত পা এর শুষ্কতা, চুলকানি এবং পায়ের গোড়ালী ফাটার প্রতিরোধে সুতির মোজা ব্যবহার করুন। খুব বেশি যদি কারো পা ফাটে তাহলে লোশন বা অয়েন্টমেন্ট ব্যবহার করতে পারে। আর যদি অত্যাধিক খারাপ অবস্থা হয় তাহলে অ্যান্টিবায়োটিক অয়েন্টমেন্ট ব্যবহার করুন ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে।
- ফেসিয়াল প্যাক বা মাস্ক শীতকালে যা ব্যবহার করবেন সেগুলো অবশ্যই প্রাকৃতিক তেল সমৃদ্ধ হতে হবে। মুলতানি মাটির প্যাক শীতকালে লাগানো বন্ধ রাখুন।
- টক দই বা সাওয়ার ক্রিম বা দুধের তৈলাক্ত স্তরের অংশ অল্প পরিমানে নিয়ে ত্বকে ব্যবহার করলে তা ত্বকের কোলাজেনকে কার্যকর করতে সাহায্য করে।
- ঠোঁটের শুষ্কতা এবং ফাটা দূর করতে ভিটামিন ই সমৃদ্ধ লিপজেল ব্যবহার করুন।
- শীতকালের ত্বক ভাল রাখার একটি সাধারণ টিপস হচ্ছে পানির সংস্পর্শে কম থাকা। ধোয়া মোছা বা গোসলের পর পরই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাত, পা, শরীর মুছে শুকিয়ে লোশন মেখে ফেলতে হবে। আর যদি পানির কাজ বেশি করতেই হয় চেষ্টা করুন গ্লাভস ব্যবহার করতে।
- অনেকে শীতকালে সানস্ক্রীণ লোশন ব্যবহার করেন না কিন্তু শীতকালে একটু বেশি ময়েশ্চেরাইজার যুক্ত সানস্ক্রীণ লোশন ব্যবহার করা উচিত।

No comments:

Post a Comment